ফেরেস্তা কিভাবে জন্ম হলো
আল্লাহ তায়ালা যখন ফেরেশতা সৃষ্টি করার ইচ্ছা করলেন,তখন তিনি হযরত রাসুলে করিম( সাঃ)-এর নূর মোবারক হতে এক খাছ নূর সৃষ্টি করতঃ সেই নূর দিয়ে ফেরেশতাদেরকে সৃষ্টি করলেন। তাদেরকে সৃষ্টি করে তিনি নির্দেশ করলেন, তোমরা এখন আমার ইবাদতে মশগুল হয়ে যাও।সে অনুযায়ী তারা বিভিন্নভাবে আল্লাহ তায়ালা ইবাদতে মশগুল হয়ে গেল। ফেরেশতাদেরকে আল্লাহ বিভিন্ন ছুরতে সৃষ্টি করলেন। কাউকে গরুর ছুরতে,কাউকে শকুনি রূপে, আবার কাউকে সাপের আকৃতিতে সৃষ্টি করা হলো।
এরা সৃষ্টি হয়ে কেউবা দণ্ডায়মান অবস্থায়, কেউবা রুকুর অবস্থায়, কেউবা সিজদাহর অবস্থায় এবং কেউবা বসা অবস্থায় আল্লাহ তায়ালার ইবাদতে নিমগ্ন হলো। এভাবে লাখ লাখ বছর অতীত হয়ে গেছে কিন্তু তারা এখনও সেই একই অবস্থায় আল্লাহ তায়ালার ইবাদতে ডুবে আছে,তাদের কারোরই অন্য কোনদিকে কিছুমাএ ভ্রক্ষেপ নেই। অন্য কোন কিছু তারা জানেও না এবং অন্য কোন কিছু সম্পর্কে তাদের কোন ভাবনাও নেই।
কেয়ামত পর্যন্ত তারা একইভাবে আপনাপন ইবাদতে নিমগ্ন থাকবে। কোন কোন ফেরেশতাকে আল্লাহ অবশ্য অন্যান্য কাজেও নিযুক্ত করলেন। তারাও যথাযথভাবে আল্লাহ তায়ালার নিদেশ পালন করছে। এভাবে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ পালন করাও আল্লাহ তায়ালার ইবাদত ছাড়া কিছু নয়।
আশ্চর্যের কথা এই যে, এমন গভীরভাবে শত কোটি বছর ধরে ইবাদতে মত্ত থাকার পর কেয়ামত অনুষ্ঠিত হবে, তখন তারা অত্যন্ত ভীত হয়ে ও আফসোস করে বলবে, ওহে মাবুদ! না জানি আমরা তোমার আদেশ ঠিক মতো পালন করতে পেরেছি কি না,জানি না তুমি আমাদের প্রতি কোন কারণবশতঃ অসন্তুষ্ট হয়েছ না কি!অবশ্য আমাদের মনে তোমার ইবাদত ঠিকমত আদায় করার খুবই আরজি ছিল, কিন্তু হয়তো বা তা আদায় করতে পারিনি। অতএব, তোমার তায়ালাট করুণ প্রার্থনা এই যে, তুমি আমাদের অক্ষমতাজনিত অপরাধ মার্জনা
কর।
প্রিয় পাঠক ভাইদের
উদ্দেশ্যে বলা যাচ্ছে যে আমাদের এই ওয়েবসাইটে আপনারা বিভিন্ন প্রকার ইসলামিক
গল্প পাবেন।আপনারা যদি গল্প প্রিয় মানুষ হয়ে থাকেন তাও আবার ইসলামিক গল্প তাহলে
আমাদের এই ওয়েবসাইটকে ফলো করে রাখতে পারেন।
এছাড়া
বিভিন্ন চাকরির নিউজ সম্পর্কিত বিষয় আমাদের এই সাইটে দেওয়া হয়।যাতে করে আপনারা
বিভিন্ন জবের খবর পান।

Leave a Comment