তারাবির জন্য হাফেজ নিয়োগ

প্রিয় হাফেজ ভাইদের উদ্দ্যেশ্য করে বলা যাচ্ছে যে,প্রতি বছরের ন্যায় আগামী রমজান মাস উপলক্ষে খতমে তারাবীতে ইমামতি করার জন্য ঢাকা ডেমরা থানার অন্তর্গত সারুলিয়া এলাকার বায়তুল হামদ জামে মসজিদে দুইজন হাফেজে কুরআন নিয়োগ দেওয়া হবে।

আপনারা যারা তারাবীর নামাজে ইমামতি করার জন্য ইচ্ছা পোষণ করেছেন আপনাদেরকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে উক্ত মসজিদে ১১ তারিখে সকাল ১০টার মধ্যে উপস্থিত থাকার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

ইন্টারভিউতে যেসমস্ত বিষয়কে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে তা নিম্নে পয়েন্ট আকারে তুলে ধরা হলোঃ

v   সুন্নাত মোতাবেক পোষাক-আশাক

v   রাসূলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর   সুন্নাত অনুযায়ী দাড়ি।

v   বিশুদ্ধ আকিদা।

v   মাখরাজ ও তাজভীদ অনুযায়ী তেলাওয়াত।

v   প্রশ্নের উত্তর সংখ্যা।

v   শরীয়তের বিভিন্ন মাসআলা সমূহ

উপরোক্ত বিষয়গুলোকে গুরুত্ব সহকারে দেখে বিচার বিবেচনা করে এরপর হাফেজ নিয়োগ দেবেন বলে জানিয়েছেন মসজিদ পরিচালনা কমিটি

স্থানঃ

বায়তুল হামদ জামে মসজিদ

মুন্সি বাড়ি,ডগাইর পশ্চিম পাড়া,ভুট্টু রোড (মাজার রোড)

সারুলিয়া,ডেমরা,চট্রগ্রাম

যোগাযোগঃ০১৭১৫-৯৫৮০৮৮ (সভাপতি)

             ০১৭৩১-৮৬৫৩৪৯(সেক্রেটারি)




মাহে রমজানের আগমন বার্তাঃ

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ,সর্ব প্রথম সবাই আমার সালাম গ্রহণ করবেন।আমরা সবাই ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া বা বিভিন্ন মাধ্যমে জেনেছি আগামি মার্চ মাসের ২২ বা ২৩ বা ২৪ তারিখের দিকে রমজান মাস আমাদের কাছে আসতে যাচ্ছে।এতে মুমিনদের অন্তরে খুশির সীমা নেই।কেননা এই মাস রহমতের মাস,বরকতের মাস,মাগফিরাতের মাস,নাজাত পাওয়ার মাস।

রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন “যে ব্যক্তি রমজান মাস পাওয়ার পরেও গুণাহ মাফ করাতে পারলো না তার মতো হতোভাগা আর কে হতে পারে

উক্ত হাদিসের দ্বারা বুঝা যায় যে রমজান মাস মুসলিম উম্মাহর জন্য বিশাল এক নিয়ামত।আল্লাহ পাক আমাদের প্রত্যেককে রমজান মাসকে উছিলা করে যেনো গুণাহ মাফ করাতে পারি সেই ভাবে কবুল করুক।আমিন।

কুরআন নাজিলের মাস রমযানঃ

এই মাস দামি হওয়ার পেছনে অন্যতম এবং প্রধান কারণ হলো পবিত্র কুরআন নাযিল হওয়া।এটি এমন একটি গ্রন্থ যেই গ্রন্থে প্রায় ৬৬৬৬ টি আয়াত রয়েছে।এর বিশেষত্ব হলো এটি নির্ভুল একটি কিতাব।যার প্রমাণ কুরআন নিজেই দিচ্ছে সূরা বাক্বারা এর ২ নাম্বার আয়াত দিয়ে।বলা হয়েছে “এটি এমন একটি কিতাব যাতে বিন্দু পরিমাণ সন্দেহ নেই”।

এই আয়াতের মাধ্যমে কুরআন সমস্ত বিশ্ববাসিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে।বলা হয়েছে এটি নির্ভুল একটি কিতাব।এই আয়াত নাজিল হওয়ার পর থেকে এর ভূল ধরার জন্য অনেক অমুসলিম ভাইয়েরা উঠে পড়ে লেগেছিলো,লেগে আছে এবং লেগে থাকবে।কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ অতীতেও কেউ এর ভূল ধরতে পারেনি এখনো পারছে না আর ভবিষ্যতেও পারবেনা ইনশাআল্লাহ।আর এটাকে বিকৃত বা ধ্বংস করার মতো ক্ষমতা পৃথিবীর মাঠিতে কারো নেই।কেননা এটা সংরক্ষণ করার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ পাক নিয়েছেন।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.